ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের বরণ করতে প্রস্তুত সাগরকন্যা কুয়াকাটা। টানা ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুরা ছুটে আসবেন সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটায়–এমনটাই প্রত্যাশা পর্যটন ব্যবসায়ীদের। এরইমধ্যে কুয়াকাটার অধিকাংশ হোটেল-মোটেল অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। আর পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণের কথা জানিয়েছে টুরিস্ট পুলিশ।
ঈদের লম্বা ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুরা যান্ত্রিক শহরের একটু ক্লান্তি দূর করতে ছুটে আসবেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের বেলাভূমি সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটায়। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর ফেরিবিহীন সরাসরি ঢাকাসহ সকল জেলা থেকে কুয়াকাটা ভ্রমণে যেতে পারছেন পর্যটকরা। ঈদের ছুটিতে তাই এবার লাখো পর্যটকের মিলনমেলা হবে কুয়াকাটা।
পর্যটকদের আতিথেয়তার পসরা সাজিয়ে পর্যটকদের অপেক্ষায় সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীরা। ঈদের ছুটিকে কাজে লাগিয়ে এবং সরকারি বন্ধের ফাঁকে অনেকেই প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যসজ্জিত সাগরকন্যাকে উপভোগ করবেন।
পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি ভালো থাকায় ঈদের ২ দিন আগ থেকে টানা ১০ দিন পর্যন্ত তাদের হোটেল-মোটেল বুকিং রয়েছে। তাই পর্যটকদের বরণ করতে হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলো সেজেছে নতুন সাজে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে নিত্যনতুন পণ্যের পসরা সাজিয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। শেষ মুহূর্তে চলছে হোটেল-মোটেলগুলোতে ধোয়া-মোছার কাজ।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওয়ানার্স অ্যাসোশিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতালেব শরীফ বলেন, ঈদের লম্বা ছুটিতে পর্যটকদের সার্বক্ষণিক সেবা দিতে প্রস্তুত সাগরকন্যা কুয়াকাটা।
কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ ইনচার্জ মো. খালেক বলেন, ঈদ সামনে রেখে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে টুরিস্ট পুলিশ।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুয়াকাটাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করেন। বর্তমানে কুয়াকাটায় ২ শতাধিক ছোট-বড় হোটেল-মোটেল রয়েছে।

.gif)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন